বাঞ্ছারামপুরে মেয়ের হাতে মা খুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক—

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় মেয়ের কেচির আঘাতে মা রহিমা বেগম নিহত হয়েছেন, রোববার ভোর ৬টার দিকে উপজেলার দশানীতে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়,আইয়ুবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের করিম মিয়ার মেয়ে রহিমা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম বাবুল মিয়ার সাথে।
বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন তিনি। তাদের দুই মেয়ে পাপিয়া ও পপি।

বড় মেয়ে পাপিয়া বেগম প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুই বছর আগে আইয়ুবপুর গ্রামের ইসহাক মিয়া নামের এক যুবককে বিয়ে করেন।
কিন্তু ইসহাক মিয়ার পরিবার এই বিয়ে মেনে না নেওয়ায় তিনিও পাপিয়ার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পাপিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন।

নিহত রহিমা বেগমের ছোট মেয়ে পপি বলেন, সকালে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম।
হঠাৎ শব্দ শুনে উঠে দেখি পাপিয়া মার পেটে কেচি ঢুকিয়ে দিয়েছে। এসময় আমরা মাকে বাবুল ডাক্তারের দোকানে নিয়ে যাই।
সেখানে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার অবস্থা খারাপ হওয়ার বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মা মারা যায়।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আতাউল করিম জানান, রহিমা বেগমকে হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি তিনি আগেই মারা গেছেন।

বাঞ্ছারামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রাজু আহমেদ ঘটনায় ঘাতক মেয়েকে আটক করা হয়েছে বলে জানান।