ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে অভিযানে ২২টি নৌযানকে পাঁচ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রবীর চৌধূরী রিপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে অভিযান চালিয়ে ২২টি নৌযানকে পাঁচ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের আনন্দবাজার থেকে বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ঘাটের নৌপথে অভিযান চালায় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীর নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানাগেছে,তিতাস নদীতে চলাচলকারী কোনো নৌযানের নিবন্ধন,সার্ভে সনদ, চালকের নিবন্ধন,নৌকায় জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম বয়া ও লাইফ জ্যাকেট রাখা হয় না।
ওই নৌপথটিও অনুমোদিত নয়।

বুধবার ০৮/০৯ সকাল ১০টা থেকে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসানের নেতৃত্বে শহরের আনন্দবাজার ঘাট থেকে বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ঘাট পর্যন্ত যৌথভাবে অভিযান চালায় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এসময় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা,নৌযানের নিবন্ধন, সার্ভে সনদ, চালকের নিবন্ধন এবং নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের দায়ে দুটি ড্রেজার (খননযন্ত্র), ১০টি ট্রলার (বাল্কহেড) সহ ২২টি নৌযানকে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা হয়।

অভিযান চলাকালে আশুগঞ্জ-ভৈরব বাজার নদীবন্দরের উপপরিচালক শহীদ উল্যাহ, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক শফিকুর রহমান ও সার্ভেয়ার বাস্তুব ফকির এবং র‌্যাব -১৪-এর ভৈরব ক্যাম্প ও ভৈরব নৌপুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ-ভৈরব বাজার নদীবন্দরের উপপরিচালক শহীদ উল্যাহ বলেন, অভিযান চালিয়ে ড্রেজারসহ ২২টি নৌযানকে জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য,গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আনন্দবাজার-চম্পকনগর নৌপথের তিতাস নদীর লইস্কা বিলে ভয়াবহ নৌ দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তারই প্রেক্ষিতে এই ধরনের অভিযান পরিচালিত হয়।