ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রলারডুবির ঘটনায় শিশু নাশরাসহ ২২ মরদেহ উদ্ধার

অবশেষে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া শিশু নাশরার (৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা ট্রলারডুবির স্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

নিহত নাশরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পৈরতলা এলাকার হারিছ মিয়ার মেয়ে। এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক তৌফিকুল ইসলাম জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় শিশু নাশরা নিখোঁজ ছিল। তাকে উদ্ধারের জন্য আজ (শনিবার) সকাল থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পরে পৌনে ১০টায় নাশরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মোট ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৫টায় বালুবাহী ট্রলারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের পর অপর একটি যাত্রীবোঝাই ট্রলার ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি ওই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর নৌকাঘাট থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনন্দবাজার ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা করে।

নাশরার চাচা মাসুদ মিয়া বলেন, গতকাল সকালে নাশরা তার চাচা ফারুক মিয়ার শ্বশুরবাড়ি বিজয়নগর উপজেলার নোয়াগাঁওয়ে বেড়াতে যায়। বিকেলে ট্রলারে করে বাড়ি ফিরছিল তারা। ফারুক ট্রলারের ছাদে এবং নাশরা ও তার চাচি কাজল বেগম ট্রলারের ভেতরে ছিল। ট্রলারডুবিতে আমার ভাবি কাজল বেগম মারা গেছেন। ফারুক সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নাশরাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।