লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নবাসীর খেদমত করতে চান হাজী মালু মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক—

হাজী শহিদুল ইসলাম মালু ওরফে মালু মিয়া নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের সহজ সরল ও নিবেদিত একজন বাসিন্দা।
সেই সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা বর্তমানে সম্ভান্ত একজন তরুণ প্রজন্মের মানবিক রাজনৈতিক কর্মী।
নবীনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য।একজন সফল ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক।
আওয়ামী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদ পদবী ছাড়া কাজ করে গেছেন অবিরাম।
পরে কর্মী সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণে যুক্ত হউন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক কাঠামোতে।

বছরের পর বছর ধরে একজন মানবতার সেবক হিসেবে ইউনিয়নবাসীর জনদুর্ভোগ লাঘব করতে ছুটে গিয়েছেন এদিক সেদিক।
কখনো বিনিময়ে কি পাবেন সেই হিসাব মেলাতে চাননি কোন দিন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে নিভিড় ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

খেলাধুলা,সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে,মানবিক কাজে এমন কোন যায়গা নেই যেখানে হাজী শহিদুল ইসলাম মালুর হাত লাগেনি।

অসহায় দরিদ্র মানুষের কল্যাণে তিনি ছুটে গেছেন দিন রাত।করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী,নগদ টাকা,কাপড় বিতরণ,নিরাপদ পানি খাওয়ার জন্য টিউবওয়েল স্থাপন করে দেওয়া সহ অসংখ্য মানবিক কাজের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই শহিদুল ইসলাম মালু।

দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ অনুযায়ী সভা সমাবেশ মিটিং মিছিল গণসংযোগ মতবিনিময় করে রাজপথে ও পাড়া মহল্লায় চাঙ্গা করে রেখেছেন দলীয় অবস্থানকে।

বিগত করোনা কালীন সময়ে নবীনগর উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন সাধারণ মানুষের জন্য তাদের মধ্যে অন্যতম লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা হাজী শহিদুল ইসলাম মালু।
ইউনিয়নের খেটে খাওয়া দুঃখী মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা হাজী শহিদুল ইসলাম মালু করোনা কালীন সময়ে ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

করোনার প্রাদূভাবের শুরু এই মানুষটি কয়েকশত পরিবারের মাঝে পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল নগদ অর্থ ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছিলেন।

প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা,অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেছিলেন।
দ্বিতীয় দফায় আবারো তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রকাশ্য ও গোপনে খাদ্য সামগ্রী নগদ অর্থ বিতরণ করেন।
এমনকি নিজে স্বশরিরে উপস্থিত থেকে গরিব অসহায় মানুষের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রীও পৌঁছে দেন।

বছরের পর বছর মানবিক সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অসাধারণ উপস্থিতিতে তড়িৎ গতিতে এগিয়ে চলতে চলতে হাজী শহিদুল ইসলাম মালু ইউনিয়ন বাসীর কাছে একজন নির্ভর যোগ্য ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিতে ইতোমধ্যে পরিণত হয়েছেন।

তাই তো দলীয় কর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন যুদ্ধে ডর্জন খানেক প্রার্থী আনাগোনা লক্ষ করা গেলেও তিনি তাদের মধ্যে অন্যমত।

লক্ষ লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ থেকে শুরু করে এমন কোন মানবিক কাজ নেই যেখানে তার সরব উপস্থিত ছিলেন না।
করোনায় দুই ধাপেই তিনি অবিরত কাজ করে গেছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।
দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে অপরিসীম উদ্যম নিয়ে কাজ করে যাওয়া হাজী শহিদুল ইসলাম মালুর একটাই স্বপ্ন লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নটা একটা সুখী সমৃদ্ধ আধুনিক আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা।

মানুষকে কাছে টানে নেয়ার এই জাদুকর এখন স্বপ্ন দেখেন লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নকে আধুনিক আদর্শ ইউনিয়ন গঠনের।
তা ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তার কোন চাওয়ার নেই।


তার চিন্তা চেতনায় কাজ করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী,মাদকমুক্ত যুব সমাজ তৈরি করা।
সেই লক্ষ্যে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী।
প্রচার প্রচারণায় ইউনিয়নের পাড়া মহল্লায় ছেয়ে গেছে তার পোষ্টার ফেস্টুন বিলবোর্ড গেইট ক্যালেন্ডার চাবির রিং সহ অসংখ্য উপকরণে।
তিনিও ছুটে গেছেন পাড়া মহল্লায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী কর্মজীবী মানুষ সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের পাশে।
কাছে থেকে কৌশল বিনিময়ের পাশাপাশি ইউনিয়ন বাসীর অভাব অভিযোগ শুনেছেন।
সেই মোতাবেক সচ্চতার সাথে ব্যবস্থাও নিয়েছেন তিনি।


ইতোমধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের পক্ষ থেকে নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়নের জন্য জোর লবিং তদবির করার আশ্বাস দিয়েছেন আহ্বায়ক কমিটির শীর্ষ স্থানীয় একাধিক নেতা।
তারা জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম মালু যদি নৌকার মনোনয়ন পায় তবে অতি সহজেই তারা এখানে বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবেন।

প্রত্যেকটি গ্রামেই তার আস্থাভাজন একটা বলয় তৈরি করেছেন তিনি।
তার বিশ্বাস তারই অতীতের সকল মানবিক ও সেবামূলক কাজের মূল্যায়ন করবেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
তৃণমূল থেকে শুরু করে উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দকে তিনি পাশে পাবেন।
তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।