যা কিছু করছি মন থেকে করেছি, জনগণের মূল্যায়ন চাই- হাজী শহিদুল ইসলাম মালু

দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় ধরে মানবতার কল্যাণে নিজেকে উজাড় করে কাজ করে গেছি,কখনো বিনিময়ে কি পাবো সেই চিন্তা সামান্য সময়ের জন্য করিনি।
আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।
মহান প্রভু যেই অবস্থায় আমাকে অর্থ দিয়েছে তখন থেকেই শুধু নিজেই ভোগ বিলাসের জীবন যাপন করতে পারতাম।

কিন্তু আমি তা করিনি।
কারণ আমি ভালো থাকলেই হবে না,সমাজ গ্রাম এলাকায় আমার কিছু দ্বায়বন্ধতা আছে।
সেই থেকে সাধারণ মানুষের পাশে সাধ্যমত দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।
এখনো ধারাবাহিক ভাবে এই ধারা অব্যাহত আছে।

আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ অনুসরণ করে চলতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই রাজনৈতিক ভাবে লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

ইউনিয়নের মানুষের মায়ায় সৌদি আরবের আরাম আয়েশ এর জীবন ছেড়ে তাদের সেবা করার জন্য পড়ে আছি।
আমার একটাই চাওয়া নিজের সবকিছু দিয়ে হলেও লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নটাকে একটা আদর্শ মাদকমুক্ত সুস্থ সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলা।
সেই লক্ষ্যে আমার অতিত কর্মকান্ড বিচারের ভার আমি ইউনিয়নবাসী ও আমার দলীয় নেতাকর্মীরা এবং মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল ভাই,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি ফয়জুর রহমান বাদল ভাই ও সাধারণ সম্পাদক এমএ হালিম ভাইয়ের উপর রইলো।

একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আগামী নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বিশিষ্ট দানবীর হাজী শহিদুল ইসলাম মালু।

তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য হাজী শহিদুল ইসলাম মালু লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নে করোনার দুই ধাপে সর্বাধিক খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।
তাছাড়াও দুই ঈদে অসহায় দরিদ্র মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে নগদ অর্থ ও ঈদবস্ত্র সহায়তা হিসেবে দিয়েছেন।
এছাড়াও অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝেও তিনি নগদ অর্থ বিতরণ করেছিলেন।

ইতোমধ্যে তিনি লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের গণমানুষের মধ্যে একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আশাবাদী দলীয় হাইকমান্ড তাকে মূল্যায়ন করবেন।