নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নে মাদকসেবীদের উৎপাত বৃদ্ধি,এক রাতেই ৪বাড়িতে সিধ কেটে চুরি!

ডেস্ক রিপোর্ট:

নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নে ক্রমেই বেড়ে চলেছে মাদক সেবীদের উৎপাত। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন সময়ে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীরা গ্রেফতার হলেও জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আবারো পুর্বের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে তারা।
ইতোমধ্যে ওরা আরো সংঘবদ্ধ হয়ে উঠেছে।
এতে করে বেড়েই চলেছে অপরাধ।
শুধু গত ১১ই সেপ্টেম্বর রাতে ইউনিয়নের গুড়িগ্রামে রাতে একসাথে সিধ কেটে ৪টি বাড়িতে চুরি হয়।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় ১১ সেপ্টেম্বর আর্দশ গুড়িগ্রাম ঈদগাহের পশ্চিমে বাড়ি সহ ৪টি ঘরে আনুমানিক ২ঘটিকায়, দিবাগত গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায় ওই এলাকার আওলাদ হোসেন , মাসুদ মিয়া,লোকমান মিয়া,মজিবুর মিয়ার বাড়িসহ ৪টি বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা স্বর্নালঙ্কার সহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আওলাদ হোসেন জানায়,গত ছয় মাস ধরে আমাদের কে রাতে ঘুমাতে দিতেছে না ঘরে সিধ কেটে এই চুরির ঘটনা নবীনগর থানা প্রশাসনের বরাবর অভিযোগ করি। পাশাপাশি এলাকাবাসী ও আমাদের গ্রামবাসী সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মাসুদ মিয়ার জানান,ঘরে পিছনে দিয়ে সিধ কেটে ডুকে,সকালে ঘুম থেকে জেগে দেখেন ঘরে সিঁধ কেটে একটি মোবাইল ফোন ও টাকা গুলি নিয়ে গেছে।

লোকমান মিয়ার ঘরে লোকজন জানান, প্রায় ২ বছর ধরে এমন অত্যাচার করে আসছে রাত হলেই ঘরে, দরজা জানালায় ধাক্কাধাক্কি করে, সারারাত সজাক থাকতে হয়।

মজিবুর মিয়ার স্ত্রী ভিডিও ফোটেস এ না এসে রেকর্ডের এ জানান কয়েক মাস ধরে আমার ঘরে সিধি কাটে ও থাপরাথাপরি করে সারারাত সজাক থাকি আওয়াজ পেলে বলি সজাক আছি তখন চলে যায়, সকালে একটু ঘুমায়।
১১ সেপ্টেম্বর আওলাদ হোসেন ভাইয়ের বাড়িতে চিলাপাল্লা শোনে আমার ছেলে বের হতে গিয়ে দরজার সামনে সিধ কাটায় গর্তে পরে পায়ে ব্যাথা পায়।
আমি বিছানা থেকে উঠে দেখি আমার মোবাইল ও কাপড় চোপড় নিয়ে গেছে চোরেরা।

প্রায় প্রতিদিনই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘটে চলেছে এই চুরির ঘটনা।
অনেক পরিবার আছে তারা সারারাত জেগে থেকে নিজের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকেন।
প্রশ্ন হচ্ছে এভাবে আর কতদিন ?
মাদকসেবীদের উৎপাত থেকে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা কি নেই!

এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমাদের বিশাল উপজেলায় পুলিশের সংকট রয়েছে।
তারপরও মাদক নির্মূলে আমরা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে চলছি।
বিটঘর কাইতলা ইউনিয়ন সিমান্তবর্তী ইউনিয়ন।
তুলনামূলক ভাবে এই জায়গাগুলো মাদক ব্যবসায়ী কিংবা সেবীদের উৎপাত বৃদ্ধি হতে পারে।
আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে জোরালো তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।