নবীনগরে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ মারিয়ার লাশ ২৮ ঘন্টা পর উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গত সোমবার দুপুরে নৌকা ভ্রমণে বাবা মায়ের সাথে দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মারিয়ার লাশ অবশেষে ২৮ ঘন্টা পর ঘটনাস্থল থেকে সামান্য দুর থেকে উদ্ধার করছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীদল টানা ২৮ ঘন্টা পর শিশু মারিয়াকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

জানা গেছে, নবীনগর উপজেলার কাইতলা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে রিয়াদ ও লিজা দম্পতি মামা শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে নৌকা ভ্রমণে বের হলে সোনাপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে বেপোরোয়া স্পীড বোর্ডের ঢেউয়ে তলিয়ে যায় নৌকাটি।

সাঁতার না জানায় ঘটনাস্থলে মারিয়ার পিতা রিয়াদ ও মাতা লিজা মারা গেছেন। নিখোঁজ হন মারিয়া।
এঘটনায় স্বজনদের কান্নায় এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে । এই পরিবারের একমাত্র সদস্য শিশু সিয়াম যে সবাইকে হারিয়ে এতিম হয়ে বেঁচে রইলো নৌকা ভ্রমণে না যাওয়ার কারণে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই খবরটি ভাইরাল হয়ে গেলে স্পীডবোট ও নৌপথের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় ওঠে।

কেউ কেউ প্রতি নিয়ত স্পীডবোট ও নৌকা চালকদের অদক্ষতা, মাত্রা অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া চলাচলকে দায়ী করেন।

এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার নৌকা ও স্পীডবোট চালকদের সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোশারফ হোসাইন।

এসময় তিনি অনিয়মের অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে জরিমানা করেন পাশাপাশি ভবিষ্যতে আইন অমান্য করে স্পীডবোট ও নৌকা পরিচালনা করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করে দেন।